দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় ফেরিতে ওঠার সময় যাত্রীবাহী একটি বাস পদ্মা নদীতে পড়ে গেছে। এতে চালক-হেল্পারসহ অন্তত ৫০ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি দুপুর আড়াইটার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী পৌর বাস টার্মিনাল থেকে শিশুসহ ৮ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। পথে ফেরিতে ওঠার সময় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়।
কুমারখালী থেকে ওঠা যাত্রীদের মধ্যে রয়েছেন গিয়াস উদ্দিন রিপন (৪৫), তার স্ত্রী লিটা খাতুন (৩৭) ও সন্তান আবুল কাসেম সাফি (১৭) এবং আয়েশা বিনতে গিয়াস (১৩)। রিপনের বাড়ি খোকসা উপজেলার শোমসপুর গ্রামে। ঈদের ছুটি কাটিয়ে পরিবারসহ ঢাকায় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ফিরছিলেন তিনি।
অন্যদিকে মো. নুরুজ্জামান (৩২), তার স্ত্রী আয়েশা আক্তার (৩০) ও তাদের দুই সন্তান নওয়ারা আক্তার (৪) এবং আরশান (৭ মাস) একই বাসে ছিলেন। তাদের বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার খোন্দকবাড়িয়া গ্রামে। নুরুজ্জামান ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত।
স্বজনদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, এই দুই পরিবারের মধ্যে আয়েশা আক্তার, শিশু আরশান এবং আয়েশা বিনতে গিয়াস এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
নুরুজ্জামান বলেন, ফেরিতে ওঠার সময় তিনি ও তার বড় মেয়ে বাস থেকে নেমে যান। তার স্ত্রী ও ছোট সন্তান বাসেই ছিলেন। পরে বাসটি নদীতে পড়ে গেলে তাদের আর খোঁজ পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে গিয়াস উদ্দিন রিপন জানান, দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা তার স্ত্রীকে উদ্ধার করলেও মেয়ে এখনো নিখোঁজ রয়েছে।
সৌহার্দ্য পরিবহনের কুমারখালী কাউন্টার মাস্টার তন্বয় আহমেদ বলেন, বাসটি কুমারখালী থেকে ৬ জন যাত্রী নিয়ে ছাড়ে এবং পথে বিভিন্ন স্থান থেকে যাত্রী ওঠে। চালক-হেল্পারসহ মোট প্রায় ৫০ জন বাসে ছিলেন। প্রাথমিকভাবে ব্রেক ফেল করায় বাসটি নদীতে পড়ে যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, কুমারখালী থেকে ওঠা ৮ যাত্রীর মধ্যে তিনজন নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
জে আই